রামগঞ্জে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রনির দাফন সম্পন্ন

0
42

মো: রবিউল ইসলাম: সৌদি আরবের খামিজ শহরে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত শামিম ওসমান রনি (২৫) জানাজা বুধবার সকাল ৯টায় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ দারুল ফালাহ দাখিল মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর পূর্বে মঙ্গলবার রাতে তার লাশ সৌদি এয়ালাইন্সে বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়। পরে নিহতের লাশ এম্বুলেন্সযোগে রামগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়ী সোনাপুর কেয়ামুদ্দিন হাজী বাড়ীতে আসলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারনা ঘটে। এসময় মা-বাবার আর্তচিৎকারে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন সবাই।বাবা বাবুল মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। কত কষ্ট করে পড়ালেখা করিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে ধারদেনা করে বড় ছেলে শামিম ওসমান রনিকে ২০১৮ইং সনে সৌদিতে পাঠিয়েছি। কিন্তু আমার দূর্ভাগ্য মাত্র দশ মাসের মাথায় চলতি বছরের ১৭মার্চ সৌদি আরবের খামিজ শহরের কর্মস্থল হোটেল বায়াত থেকে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে একটি হসপিটালে নিয়ে গেলে দশদিন পরে ২৭মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পাশ্ববর্তি মিঝি বাড়ীর সৌদি প্রবাসী মুনির হোসেনসহ কয়েকজন নিকটাত্মীয়র মাধ্যমে আমার ছেলে বিষয়টি জানতে পারি। সৌদিতে অবস্থানরত নিকটাত্মীয়দের সহযোগীতায় মঙ্গলবার সকালে শামিম ওসমান রনির লাশ বাংলাদেশে আসে। রাতে গ্রামের বাড়ীতে লাশ আনা হলে শত শত মানুষ তার লাশটি দেখার জন্য ভীড় করেন। এসময় বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনদের কান্নায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শামিম

ওসমান রনি মৃত্যুকালে বাবা-মা ও এক ভাইসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। সোনাপুর দারুল ফালাহ মাদ্রাসা মাঠে নিহত শামিম ওসমান রনির জানাজা পড়ান কেয়ামুদ্দিন হাজী বাড়ী জামে মসজিদের খতীব হাফেজ মাওলানা মুশিউর রহমান। জানাজা শেষে বাড়ীর পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।