লাঠিয়াল রুপন্তীর বেড়ে ওঠার গল্প

0
15
মঞ্জুরীন সাবরিন চৌধুরী (রুপন্তী)

মুখলেসুর রাহমান সুইট: মঞ্জুরীন সাবরিন চৌধুরী যিনি রুপন্তী চৌধুরী নামেই পরিচিতি পেয়েছেন তাঁর লাঠি খেলার কারণে। লাঠি খেলার ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে কাজ করেছেন রুপন্তীর দাদা সিরাজুল হক চৌধুরী । ১৯৩৩ সালে তিনি সারা দেশের লাঠিয়ালদের একটি সংগঠন তৈরি করেন রুপন্তীর বাবা রতন চৌধুরীও ছিলেন নামী লাঠিয়াল। আর তাঁদের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছেন রুপন্তী।কুষ্টিয়ার মজমপুরে রুপন্তীর জন্ম। তাঁর বয়স যখন ছয়-সাত তখন থেকেই লাঠিখেলা শুরু করেছেন তিনি। কেন এই আগ্রহ জানতে চাইলে তিনি বলেন “আমার ফ্যামিলির সবাইকে দেখে বাবা, ফুপিরা, ভাই-বোন সবাইকে দেখেই লাঠি খেলার প্রতি অনেকটা আগ্রহ তৈরি হয় আমার মধ্যে। আমার পরিবারের সবাই লাঠিয়াল। আমার ফুপু হাসনা বানু ছিলেন দেশের প্রথম নারী লাঠিয়াল।”তার বাবার কাছ থেকে পাওয়া উৎসাহ-অনুপ্রেরণার কথা উল্লেখ করে রুপন্তী বলেন, “আমার বাবা সবসময় চাইতেন যে আমরা নিজেরা নিজেদের মতো চলাফেরা করি। যেহেতু আমরা দুই বোন, ভাই নেই। যেহেতু আমরা মেয়ে, সেহেতু উনি চাইতেন আমরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠি, নিজেই যেন নিজেকে রক্ষা করতে পারি”।