প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আবেদন

0
24
প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আবেদন

কাগজ প্রতিবেদক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের কাছে দেশের বিরুদ্ধে ভয়ংকর মিথ্যা তথ্য দিয়ে নালিশ করায় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্টদ্রোহিতার মামলার আবেদন করেছেন আইনজীবী সায়েদুল হক সুমন।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি ঢাকা মহানগর আদালতের বিচারক জিয়াউর রহমানের আদালতে হাজির হয়ে মামলার আবেদন করেন। তার আবেদনের ওপর আজই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিত মুখ ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন গত শুক্রবার রাতে এই মামলা করার ঘোষণা দেন। ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিকট তিনি (প্রিয়া সাহা) যে বক্তব্য দিয়েছেন এটি সম্পূর্ণ রাষ্ট্রোদ্রোহের শামিল। উনি বলেছেন প্রায় তিন কোটি ৭০ লক্ষ মাইনরিটি মানুষকে নাকি গুম করে দেওয়া হয়েছে। বাকি যারা আছে তারাও নাকি গুম হওয়ার পথে। স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত যেখানে বলেছেন, সম্প্রদায়িত সম্প্রীতির দেশ হলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটা জায়গায় গিয়ে দেশের ভামূর্তি নষ্ট করার জন্য তিনি (প্রিয়া সাহা) যে বক্তব্য দিয়েছেন; একজন আইনজীবী হিসেবে আগামী রবিবার আদালত খোলার সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আমি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করবো।’

গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউজে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হওয়া ১৯টি দেশের ২৭ জন ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প। ওই সাক্ষাৎকালে প্রিয়া সাহা ট্রাম্পকে বলেন, ‘স্যার, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সেখানে ৩৭ মিলিয়ন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান বিলীন হয়ে গেছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা বাংলাদেশেই থাকতে চাই। সেখানে এখনো ১৮ ‍মিলিয়ন সংখ্যালঘু মানুষ রয়েছে। আমার অনুরোধ, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশ ছাড়তে চাই না। শুধু থাকার জন্য সাহায্য করুন।’

প্রিয়া বলেন, ‘আমি আমার ঘরবাড়ি হারিয়েছি, তারা আমার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে। তারা আমার জমিজমা দখল করে নিয়েছে। কিন্তু তারা (প্রসাশন বা সরকার) কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি এখন পর্যন্ত।’

এ সময় ট্রাম্প ওই নারীকে প্রশ্ন করেন, ‘কারা জমি দখল করেছে, কারা ঘরবাড়ি দখল করেছে?’ উত্তরে ওই নারী বলেন, ‘তারা মুসলিম মৌলবাদী গ্রুপ। তারা সব সময় রাজনৈতিক আশ্রয় পায়। সব সময়ই পায়।’