উদ্যোক্তা হতে বয়স লাগে না, শুধু একটা আইডিয়া

0
126

কাগজ প্রতিবেদক: উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য এখন বয়স লাগে না, শুধু দরকার একটা আইডিয়া আর তার সাথে অক্লান্ত পরিশ্রম। আর সেটাই প্রমাণ করে দেখিয়েছে, ১৯ বছরের এক তরুণ ইসতিয়াক আল রিগান।
সবাই যখন ইকমার্স ব্যবসা করার জন্য দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ প্রোডাক্ট বিক্রয় নিয়ে ব্যাস্ত তখন সে তৈরি করলো এমন একটি অনলাইন স্টোর যার কোন প্রোডাক্টই হাত দিয়ে ধরা যায় না। তাহলে এ কেমন প্রোডাক্ট?
তাদের প্রোডাক্ট হলো ডিজিটাল কনটেন্ট। এই সকল প্রোডাক্ট হাত দিয়ে ধরা না গেলেও আমরা সবাই এই ডিজিটাল কনটেন্ট এর উপর নির্ভরশীল। যেমনঃ সফটওয়্যার, ছবি, কোড, থিম ইত্যাদি। আর এই সকল ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রয় ও বিক্রয় করার জন্য বাংলাদেশে এই প্রথম প্লাটফর্ম কোন তৈরি করা হয়েছে নাম “DataXpie”। তাদের স্লোগান হলো my Data, my Pie যার অর্থ হলো আমার তথ্য, আমার পিঠা। একটা সময় মানুষ খাবারের জন্য ব্যবসা করতো। আর এখন যার কাছে যত তথ্য আছে সে আজ তত ধনী যেমনঃ গুগল, ফেইসবুক। আর আমাদেরকেও ধনী হতে হলে আমাদের কাছে তথ্য বা
ডিজিটাল কনটেন্ট এর পরিমান বাড়াতে হবে। এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে কোন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তার ডিজিটাল কনটেন্ট বিক্রয় করতে পারবে।আবার এ প্লাটফর্মকে ব্যবহার করে খুবই কম খরচে যে কেউ তার পছন্দের ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রয় করে পারবে। যার ফলে একদিক থেকে যেমন দেশীয় ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর বৃদ্ধি পাবে ঠিক তেমনি খুব কম খরচে দোকান মেনেজমেন্ট সফটওয়্যার থেকে শুরু করে ইবুকও পাওয়া যাবে। অতএব, আমাদের দেশে সফটওয়্যার এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে।
ইতিমদ্ধ্যে, রিগান তার বিভিন্ন আবিষ্কারের জন্য Children Science Congress 2016 এ বিজয়ী এবং BASIS National ICT 2018 Awards পেয়েছে। কিন্তু এখন সে চায় তার মত যারা নতুন নতুন আবিষ্কারেকে ভালবাসে তাদের জন্য কিছু করতে। আর তাই তার
“DataXpie” প্লার্টফর্মটিতে একটি সেকশন রেখেছে রোবটিক্স। যেখানে একজন ছাত্র/ছাত্রী তার প্রজেক্ট গাইড কিংবা কোড বিক্রয় করতে পারবে। আর তার মাধ্যমে ছাত্র/ছাত্রীরা আরো উৎসাহিত হবে নতুন নতুন আবিষ্কারে। আর তার এই সেকশন নিয়ে কাজ করছে তার সবচাইতে কাছের বন্ধু মুকিত। তারা আশা করে এই প্লাটফর্ম বাংলাদেশকে সাহায্য করবে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশকে উন্নত ও ডিজিটাল দেশে রুপান্তর করতে।
গত ৫ এপ্রিল মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স টেকনোলজিতে অনুষ্ঠিত হওয়া Robolution 2019 এর মাস্টারমাইন্ড বিভাগেও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তাদের এই
প্লাটফর্মকে বিচারকদের কাছে তুলে ধরার মাদ্ধেমে। তাদের স্বপ্ন এখনঃ ” ছাত্র-ছাত্রীরা যেন আত্মহত্যা দিকে না ঝুকে নতুন আবিষ্কার এর নেশায় মেতে উঠে কারণ আজকে ছাত্র-ছাত্রী আগামীকালের স্টিভ জবস কিংবা এলন মাস্ক।”