সিমলা-পলাশ মনে করিয়ে দিল জোডি-হিংকলেকে

0
100

রফিক সুলায়মান: সিমলা-পলাশ কাহিনী অনেকটা জন হিংকলে – জোডি ফস্টারের কাহিনীর মতো। পলাশ সিমলাকে প্রতারিত করে বিয়ে করতে পেরেছিলেন, অবশেষে নিহত হয়েছেন। জন হিংকলে ১৯৮১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত জেলে কাটিয়েছিলেন।

হিংকলে প্রেসিডেন্ট রেগানকে গুলি করেছিলেন। কারণ তিনি বিখ্যাত হতে চেয়েছিলেন। টেক্সি ড্রাইভার সিনেমায় জোডি ফস্টারের চরিত্রটা ভালো লেগেছিলো হিংকলে’র। [অনেকটাই সড়ক সিনেমার পূজা ভাটের ক্যারেক্টার।] হিংকলে প্রেমে পড়ে যান জোডি’র। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জোডি কোনভাবেই পাত্তা দেন নি ওকে। দু’বার ফোনও করেছিলেন। রেসপন্ড করেন নি।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথমে কার্টারকে গুলি করতে চান। বেশ ক’বার সিকিউরিটিকে তাক লাগিয়ে প্রায় এক ফুট দূরত্বে চলে আসেন হিংকলে। কিন্তু কোন অঘটন ঘটান নি। নির্বাচনে কার্টার হেরে যান। প্রেসিডেন্ট হন রেগান। শপথের দুই মাসের মধ্যেই গুলি।

জোডি ফস্টার এতে ব্যথিত হন। এভাবে কেউ বিশ্বের সংবাদ শিরোনামে আসতে পারে কল্পনাই করতে পারেন নি তিনি। জেল হয় জন হিংকলে’র। ছাড়া পেয়েছেন ৩৫ বছর পর। এখন সম্ভবত বৃদ্ধা মায়ের সাথে আছেন।

আর পলাশ! সে এখন ইতিহাস! সিমলার চেয়ে ১৯ বছরের ছোট পলাশ এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচে ঘৃন্য চরিত্র। বিমান ছিনতাই করতে গিয়ে খুন হয়েছে সে।