আঞ্চলিক বাণিজ্যে নতুন দুয়ার খুলবে বাংলাদেশ মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক

0
36

কায়সার হামিদ মানিক: অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দুয়ার খুলতে পারে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক। এ সড়ক চালু হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক বাণিজ্য একলাফে কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। বালুখালী কাস্টমস সংলগ্ন বাংলাদেশ-মিয়নমার মৈত্রী সড়কের প্রবেশ মুখ হয়ে ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা এক নয়নাভিরাম দৃশ্যে মন জুড়ে যায়।স্থানীয়রা মনে করছেন, ঘুমধুম পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রসারিত হলে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়কটি এ অঞ্চলের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তবে এর মধ্যে উন্নয়ন ও প্রগতির যে গতি সৃষ্টি হয়েছে তা ধরে রাখতে হলে আমাদেরকে বাণিজ্য ও অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে হবে। স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী সাংবাদিক শ, ম, গফুর বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করতে পারে এই সড়কটি। মিয়ানমারের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান, ব্যাবসা বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কক্সবাজার রামু হয়ে সীমান্ত এলাকা ঘুমধুম পর্যন্ত দ্রুত রেল লাইনের কাজ শেষ করা হলে অর্থনৈতিক সুফল পেতাম আমরা। পাশাপাশি বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে যোগাযোগ খাতে বিপ্লব ঘটবে। কেননা এ সড়কের মধ্য দিয়ে এই অঞ্জলের বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক উন্নয়ন সম্ভব। সামাজিক স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের নেতা মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, উখিয়া একটি সম্ভাবনাময় এলাকা। এই অঞ্চলে বিভিন্ন শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হলে লোকজনের কর্মসংস্থান হবে। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়া উন্নয়নের বিশাল কর্মচাঞ্চল্যে উজ্জীবিত হয়ে উঠতে পারে আধুনিক শিল্প ও পর্যটন নগরী। বদলে যাবে এর পুরনো অবয়ব। সুশাসনের জন্যে নাগরিক সুজনের উখিয়া উপজেলা সভাপতি নুর মোহাম্মদ সিকদার বলেন, গত দশ বছরের উন্নয়ন ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার জেলায় মেগা প্রকল্পসমুহ পাল্টে দিচ্ছে চিরচেনা কক্সবাজারের চেহারা। বদলে যাবে উখিয়া-টেকনাফ। চট্রগ্রাম কক্সবাজার চারলেন মহাসড়ক প্রকল্পের কাজ শেষ হলে যানজট থাকবে না। যানবাহনের চাপমুক্ত হয়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে। বিশ্বের সেরা পর্যটন নগরি আমাদের কক্সবাজার। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক, উখিয়ার ইনানী, টেকনাফ, মহেশখালীসহ পুরো কক্সবাজার জেলা জুড়ে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে বলে আমি প্রত্যাশা করি। বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক কর্মচাঞ্চল্যে সরগরম হয়ে উঠবে উখিয়ার সীমান্ত অঞ্চল।এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।