বান্দরবানে আ’লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ১

0
12
লামায় দুর্বৃত্তের কোপে নিহত আওয়ামীলীগ নেতা আলমগীর সিকদার।

মো. নুরুল করিম আরমান: বান্দরবানের লামা উপজেলায় মো. আলমগীর সিকদার (৪০) নামের এক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার দিনগত রাতে উপজেলার সরই ইউনিয়নের আমির হামজা পাড়াস্থ নিজ খামার বাড়ির পাশে তাকে হত্যা করা হয়। আলমগীর সিকদার সরই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলীর ছেলে। দলীয়ভাবে তিনি সরই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। এদিকে হত্যা কান্ডটি পরিকল্পিত বলে পুলিশের ধারণা। এ ঘটনায় দুর্বৃত্তদের ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্র জানায়, সরই ইউনিয়নের আমির হামজা পাড়াস্থ খামার বাড়ি থেকে মঙ্গলবার দিনগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে আলমগীর সিকদার মোটর সাইকেল যোগে চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলাস্থ নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় খামার বাড়ি থেকে কিছুদূর যেতে না যেতেই রাতের অন্ধকারে তার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এক পর্যায়ে দুর্বৃত্তদের দায়ের কোপে ঘটনাস্থলেই আলমগীর সিকদাদের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুর্বৃত্তদের ব্যবহৃত একটি বাজাজ মোটর সাইকেল ও মোহাম্মদ আলী (২৪) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. ইদ্রিস কোম্পানী জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘাটিয়েছে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আলী নামের এক জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সরই ক্যয়াজুপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মো. কাসেম আলী বলেন, হত্যা কান্ডটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত বলে মনে হচ্ছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কেউ হয়তো আলমগীর সিকদারকে হত্যা করতে পারে। দুর্বৃত্ত কর্তৃক আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর সিকদারকে কুপিয়ে হত্যার সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপ্পেলা রাজু নাহা বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল শেষে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্তসহ জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।