সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দেবার অভিযোগে রংপুর এলজিইডির দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা

0
26
সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দেবার অভিযোগে রংপুর এলজিইডির দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা

জয়নাল আবেদীন: চার কোটি ২০ লাখ টাকার কাজে সর্বনিম্ন দরপত্র দরপত্র দাতা হয়েও কাজ না দিয়ে উল্টো ঘুষ দাবি করার অভিযোগে এলজিইডির রংপুরের নির্বাহি প্রকৌশলী আখতার হোসেন সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী কাওছার আলমের বিরুদ্ধে দূর্নিতী প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে। রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ রাশেদা সুলতানার আদালতে এ মামলা দায়ের করেন ঠিকাদার রবিউল আলম বুলবুল। শুনানী শেষে বিচারক মামলাটি তদন্ত করার জন্য রংপুর দূর্নিতী দমন কমিশনকে নির্দ্দেশ দেন । আগামী ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করারও আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঠিকাদার রবিউল আলম বুলবুল চলতি বছরের ১৩ ফ্রেরুয়ারী এলজিইডি রংপুরের নির্বাহি প্রকৌশলী আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত অনলাইনে প্রকাশিত টেন্ডার নোটিশ দেখে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও দশ লাখ টাকার সিকিউরিটি মানি সহ অনলাইনে টেন্ডার দাখিল করেন। যার প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো চার কোটি ২৬ লাখ টাকা। সেই টেন্ডারে তিনি সর্বনি¤œ দরপত্র দাতা হন। একই ভাবে নির্বাহি প্রকৌশলী স্বাক্ষরিত অনলাইনে আরো একটি টেন্ডার আহবান করলে ৪ মার্চ্চ ২০১৯ইং তারিখে চয় লাখ টাকা সিকিউরিটি মানি সহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সহ অনলাইনে টেন্ডার দাখিল করেন। যার প্রাক্কলিত মুল্য ছিলো দুই কোটি চল্লিশ লাখ টাকা। ওই টেন্ডারেও তিনি সর্বনি¤œ দরপত্রদাতা বিবেচিত হন। দুটি টেন্ডারের বিষয়ে ঠিকাদার রবিউল আলম বুলবুল তার ম্যানেজারকে নির্বাহি প্রকৌশলীর সাথে দেখা করতে পাঠালে তিনি সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী কাওছার আলমের সাথে দেখা করতে বলেন। পরে কাওশার আলমের সাথে দেখা করলে ম্যানেজারকে দুটি টেন্ডারের প্রাক্কলিত মুল্যের শতকরা দুই ভাগ পরিমান অর্থ দাবী করেন। দাবীকৃত অর্থ না পাওয়ায় দাখিল করা টেন্ডার বাতিল করে দেন। কাজের দুই ভাগ অর্থ দুই প্রকৌশলীকে প্রদান না করায় তারা উর্ধতন কতৃপক্ষকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঠিকাদারকে কালো তালিকাভুক্ত করান। এতে করে তিনি আর কোন দরপত্রে অংশ গ্রহন করতে পারবেনা। এতে বাদী আর্থিক ও পেশাগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন বলে দাবি করে দন্ড বিধি আইনের ১৬১/১৬৬ ধারা সহ ১৯৪৭ সালের দূর্নিতী প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করেন। শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য রংপুর জেলা দূনীতী কমিশনকে আগামী ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ দেন। এ ব্যাাপারে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী রইছ উদ্দিন বাদশা জানান, বিচারক মামলাটি দূর্নিতী দমন কমিশনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবার আদেশ দিয়েছেন বলে জানান। দুদক রংপুরের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, দ্রæত তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।