সুন্দরগঞ্জে বানভাসিদের দুর্ভোগ চরমে

0
49
সুন্দরগঞ্জে বানভাসিদের দুর্ভোগ চরমে

আবু বক্কর সিদ্দিক: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বানভাসিদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার শুণ্য দশমিক ৫১ সেন্টিমিটার নিজ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা সার্বিক বন্যার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি দেখা দিয়েছে। জানা যায়, শনিবার দুপুর থেকে তিস্তা নদীর পানি ২৮ দশমিক ৬৯ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হওয়ায় বিপদ সীমা ১৯ দশমিক ২০ সেন্টিমিটারের চেয়ে শূন্য দশমিক ৫১ সেন্টিমিটার নিজ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর পানি কমতে থাকায় কয়েকটি স্থানে ভাঙ্গণের তীব্রতা বাড়ছে। এসব ভাঙ্গণ কবলিত স্থানগুলোর মধ্যে শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামের ডাকুয়ার ভিটা, শাহার ভিটা, পোড়ার চর, কাপাশিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাশিয়া, টোন গ্রাম, চরপাড়া, পূর্ব লালচামার, লালচামার, ভাটি বুড়াইল, কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া, কালির খামার, চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোছাগাড়ি, হরিপুর খেয়াঘাট, লালচামার বাজার, হরিপুর ইউনিয়নের পাড়াসাদুয়া, গেন্দুরাম, চরিতা বাড়ি, চর চরিতাবাড়ি, রাঘব, বেলকা ইউনিয়নের কিশামত সদর ও বেলকা নবাবগঞ্জ। এসব স্থানের নদী ভাঙ্গণ কবলিত মানুষ জন গৃহ-পালিত পশু- পাখিসহ ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন। এছাড়া, উপজেলার ২৮ হাজার বন্যার্ত পরিবারে পানীয় জলের উৎস্য, খাবারসহ গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এসব পরিবারে মানুষজন গৃহ-পালিত পশু-পাখি, শিশু ও বয়বৃদ্ধদের নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আশ্রয়ণ কেন্দ্র, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ, হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন। এদিকে, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদ সীমার ১ দশমিক ২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকায় কাপাশিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত রয়েছে এসব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।